বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০১:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চট্টগ্রামে হামলায় জড়িত ছাত্রদল নেতাদের বিচার চায় শিবির চট্টগ্রামের ঘটনায় বিক্ষোভের ডাক ছাত্রদলের হাত ট্রিগারেই আছে, প্রতিরক্ষা বাহিনীও সম্পূর্ণ প্রস্তুত: ইরান সাবেক প্রসিকিউটর সাইমুমের বিরুদ্ধে ঘুষ চাওয়ার প্রমাণ মিলেছে: চিফ প্রসিকিউটর চলতি বছর মাথাপিছু জিডিপিতে ভারতকে ছাড়াতে পারে বাংলাদেশ : আইএমএফ বিএনপি সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী: প্রধানমন্ত্রী চুক্তি না হলে হামলার জন্য পুরোদমে প্রস্তুত মার্কিন বাহিনী: ট্রাম্প জামিন পেলেন দেড় মাসের সন্তানসহ কারাগারে যাওয়া সেই যুব মহিলা লীগ নেত্রী গ্রাফিতিতে ‘গুপ্ত’ লেখা নিয়ে চট্টগ্রামে সিটি কলেজে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ সরকারি সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত পুরোনো ভাড়াই বহাল

৭ জানুয়ারির নির্বাচন সম্পর্কে প্রত্যেকে রাষ্ট্র একই কথা বলছে : মঈন খান

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : শনিবার, ২০ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ৮২ টাইম ভিউ

অনলাইন ডেস্ক : বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান বলেছেন, বাংলাদেশে গণতন্ত্র ব্যাতিরেখে অন্য কোনো পদ্ধতি কোনোদিন চলবে না। এই সরকার গায়ের জোরে ক্ষমতায় আছে, বন্দুকের নলের জোরে ক্ষমতায় আছে। এটা আজকে শুধু আমরাই একথা বলছি না, বিভিন্ন রাষ্ট্রও বলছে। ৭ জানুয়ারির প্রহসনের নির্বাচন সম্পর্কে প্রত্যেকে স্পষ্টভাষায় আমরা বিরোধী বিরোধী গণতান্ত্রিক দলগুলো যে কথা বলে গিয়েছি বিগত কয়েক বছর ধরে তারা এই কথার প্রতিধবনি করেছে।

শনিবার (২০ জানুয়ারি) সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে নাগরিক ঐক্যের আয়োজিত গণতন্ত্রের পক্ষে গণস্বাক্ষর কর্মসূচিতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এই ঘোষণা দিলেন।

তিনি বলেন, কাজেই আজকে এটা প্রতিষ্ঠিত দেশে এবং আন্তর্জাতিকভাবে যে, বাংলাদেশে গণতন্ত্র মৃত। আমাদের একটি মাত্র প্রতিজ্ঞা একটি মাত্র লক্ষ্য আমরা বাংলাদেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনব। ইনশাল্লাহ আমাদের গণতন্ত্রের আন্দোলন চলতেই থাকবে; যতক্ষন না আমরা বাংলাদেশের মানুষের মনের যে আকাংখা সেই আকাঙ্খা হচ্ছে গণতন্ত্র; সেই গণতন্ত্রের অধিকার যতক্ষন না আমরা বাংলাদেশের মানুষকে ফিরিয়ে দিতে পারব, আমরা ততক্ষন রাজপথ ছাড়বো না।

সকাল সাড়ে ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে নাগরিক ঐক্যের উদ্যোগে ‘প্রহসনের নির্বাচন মানি না : গণতন্ত্রের পক্ষে গণস্বাক্ষর’ শীর্ষক এই কর্মসূচি হয়। টেবিলে বিছানো কাপড়ে সর্বস্তরের মানুষজন ৭ জানুয়ারির ভোটের বিরুদ্ধে সই করছে।

নাগরিক ঐক্যের এই গণস্বাক্ষরতা ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন স্থানে জেলা-উপজেলায় এবং আন্তর্জাতিকভাবে অনলাইনের মাধ্যমে প্রবাসীদের সই সংগ্রহ করা হবে বলে আয়োজনকরা জানান।

নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারে যাওয়ার যোগ্যতা রাখেন না। এটা ভোট হয়নি। এজন্য এই সইয়ের ব্যবস্থা আমরা করেছি। বাংলাদেশে ১০ কোটি ভোটার কেবল নয়, বাংলাদেশে ১৭ বা ১৮ কোটি জনগনের কাছে আমরা পৌঁছাবার চেষ্টা করবো আমাদের এই কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে। অফ লাইন, অন লাইনে।

বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, ডিপ্লোমেটরা রাষ্ট্র রাষ্ট্র যে সম্পর্কের কথা বলছেন; সেটাকে সরকার তাদের প্রতি তাদের একটা রাজনৈতিক সমর্থন হিসেবে বিবেচনা করে একটা প্রচারের ঢামাঢোল তারা তৈরি করেছেন। আমি পরিস্কার করে বলতে চাই, কুটনীতিকদের এই ফুল নিয়ে যাওয়া সৌজন্য সাক্ষাতকার; এটাকে সরকার তার অবৈধ শাসন চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে কোনো সমর্থন হিসেবে বিবেচনা করার কারণ নাই।

গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি বলেন, মিথ্যাচার এই সরকারের বড় আশ্রয়। টেলিভিশনসহ সমস্ত মাধ্যমে তারা দেখাবে যে, এটা হচ্ছে সুষ্ঠু নির্বাচন এবং এটাকে অভিনন্দন জানাচ্ছে সারা দুনিয়া। সেদিন আমরা দেখলাম বিরোধী দলকে নিয়ে কতরকম প্রচার-প্রচারণা করে সরকারি মিডিয়া।

নাগরিক ঐক্যের সাধারণ সম্পাদক শহীদুল্লাহ কায়সারের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখে জাতীয় গণফ্রন্টের প্রধান সমন্বয়ক টিপু বিশ্বাস, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী অ্যাডভোকেট হাসনাত কাইয়ুম, ১২ দলীয় জোটের সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, ভাসানী অনুসারী পরিষদের সদস্য সচিব হাবিবুর রহমান রিজু, গণঅধিকার পরিষদের নেতা বাবুল বিশ্বাস, নেজামে ইসলাম পার্টির নির্বাহী সভাপতি একেএম আশরাফুল হক প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর