বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির কাছে ইনসাফ কায়েম চান জামায়াত আমির বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুলকে আগাম শুভেচ্ছা জানালেন অলি আহমদ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন, চলছে ভোট গণনা সারাদেশে অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহারে প্রতিদিন গড়ে ১০ খুন কলকাতায় হোটেল অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৫ বাংলাদেশির ৪ জন একই পরিবারের একনেকে ৯৩৩৩ কোটি টাকার ১০ প্রকল্প অনুমোদন এস আলম গ্রুপের বিদ্যুৎকেন্দ্রের এলসির জন্য ৩২ লাখ ডলার ছাড়ের অনুমতি সরিয়ে দেওয়া হয়েছে কারা মহাপরিদর্শক মোতাহের হোসেনকে বেসরকারি প্রাথমিক ও ইংরেজি মাধ্যম স্কুল আসছে সরকারের তদারকিতে : ববি হাজ্জাজ

১৪ লাখের বেশি কৃষকের ঋণ মওকুফ, ছাড়ের সীমা বাড়ালেন মুখ্যমন্ত্রী বিজয়

বিনোদন ডেস্ক:
  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
  • ১৪ টাইম ভিউ
ছবি সংগ্রহীত

তামিলনাড়ুর কৃষকদের জন্য কৃষিঋণ মওকুফের পরিধি আরও বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী সি. জোসেফ বিজয়। আগে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার রুপি পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও নতুন ঘোষণায় সেই সীমা বাড়িয়ে ৭৫ হাজার রুপি করা হয়েছে। এর ফলে রাজ্যের প্রান্তিক, ক্ষুদ্র ও অন্যান্য শ্রেণির বিপুলসংখ্যক কৃষক ঋণমুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবেন।

সাম্প্রতিক ঘোষণায় ৭৫ হাজার থেকে ১ লাখ রুপি পর্যন্ত কৃষিঋণ নেওয়া কৃষকদেরও অতিরিক্ত ঋণমওকুফের আওতায় আনার কথা জানানো হয়েছে। নতুন এই সুবিধায় প্রায় ১ লাখ ৩৮ হাজার কৃষক উপকৃত হবেন এবং এর জন্য সরকারের অতিরিক্ত ব্যয় হবে প্রায় ৯৫৩ কোটি রুপি।

এর আগে তামিলনাড়ু সরকার সমবায় ব্যাংক থেকে নেওয়া নির্দিষ্ট কৃষিঋণের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার রুপি পর্যন্ত মওকুফের ঘোষণা দিয়েছিল। কৃষক সংগঠন ও বিভিন্ন মহলের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে পরবর্তী সময়ে সেই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা হয়। সংশোধিত ব্যবস্থায় ৭৫ হাজার রুপি পর্যন্ত কৃষিঋণ সম্পূর্ণ মওকুফের সুযোগ তৈরি করা হয়েছে।

সরকারি হিসাব অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১ মে থেকে ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সমবায় ব্যাংক থেকে কৃষিঋণ নেওয়া মোট ১৪ লাখ ৪৩ হাজার ৫০৪ জন কৃষক সংশোধিত ঋণমওকুফ কর্মসূচির আওতায় রয়েছেন। এর জন্য সরকারের মোট ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৫ হাজার ৯৩২ কোটি রুপি।

কৃষিঋণ মওকুফের এই কর্মসূচিতে প্রান্তিক, ক্ষুদ্র ও অন্যান্য শ্রেণির কৃষকদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এর মধ্যে ৮ লাখের বেশি প্রান্তিক কৃষক, ৫ লাখের বেশি ক্ষুদ্র কৃষক এবং প্রায় ৯৪ হাজার অন্যান্য কৃষক রয়েছেন।

মুখ্যমন্ত্রী বিজয় বলেন, তামিলনাড়ুর কৃষকদের কল্যাণেই সরকারের কল্যাণ। কৃষকদের আর্থিক চাপ কমাতে এবং পরবর্তী মৌসুমে তারা যাতে নতুন করে কৃষিঋণ নিতে পারেন, সে বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ঋণমওকুফের অর্থ সমবায় ব্যাংকগুলোকে দ্রুত পরিশোধের বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ভারতের রিজার্ভ ব্যাংকের সরকারি ঋণমওকুফ কর্মসূচির মডেল নির্দেশনা অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট ঋণমওকুফের অর্থ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ব্যাংকগুলোকে পরিশোধ করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

তামিলনাড়ু সরকারের এই সিদ্ধান্তকে কৃষকদের জন্য বড় ধরনের আর্থিক স্বস্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে ঋণের বোঝা কমিয়ে কৃষকদের পরবর্তী চাষাবাদে উৎসাহিত করাই এই কর্মসূচির অন্যতম লক্ষ্য বলে জানিয়েছে রাজ্য সরকার।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর