বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৩৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চট্টগ্রামে হামলায় জড়িত ছাত্রদল নেতাদের বিচার চায় শিবির চট্টগ্রামের ঘটনায় বিক্ষোভের ডাক ছাত্রদলের হাত ট্রিগারেই আছে, প্রতিরক্ষা বাহিনীও সম্পূর্ণ প্রস্তুত: ইরান সাবেক প্রসিকিউটর সাইমুমের বিরুদ্ধে ঘুষ চাওয়ার প্রমাণ মিলেছে: চিফ প্রসিকিউটর চলতি বছর মাথাপিছু জিডিপিতে ভারতকে ছাড়াতে পারে বাংলাদেশ : আইএমএফ বিএনপি সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী: প্রধানমন্ত্রী চুক্তি না হলে হামলার জন্য পুরোদমে প্রস্তুত মার্কিন বাহিনী: ট্রাম্প জামিন পেলেন দেড় মাসের সন্তানসহ কারাগারে যাওয়া সেই যুব মহিলা লীগ নেত্রী গ্রাফিতিতে ‘গুপ্ত’ লেখা নিয়ে চট্টগ্রামে সিটি কলেজে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ সরকারি সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত পুরোনো ভাড়াই বহাল

আসুন, আমরা এই দেশ জাতিকে রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে লড়াই করে করি : ফখরুল

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : সোমবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ৯০ টাইম ভিউ

অনলাইন ডেক্স : বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এখন সময় খুব কম, আসুন একসঙ্গে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সংগ্রাম চালিয়ে যাই। বিজয় আমাদের সুনিশ্চিত। সোমবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের আবদুস সালাম হলে মাওলানা ভাসানী অনুসারী পরিষদের উদ্যোগে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর স্মরণে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। আলোচনায় জাফরুল্লাহর জীবনের নানা দিক তুলে ধরেন ফখরুল। তার মানবকল্যাণে নিয়োজিত জীবনের কথা তুলে ধরেন বিএনপি মহাসচিব। মির্জা ফখরুল বলেন, দেশের মানুষ সরকারকে বারবার চলে যেতে বলছে। তাদের কেউ ক্ষমতায় দেখতে চায় না।

কিন্তু এই সরকার জগদ্দল পাথরের মতো চেপে বসে আছে। এই প্রতিবাদগুলোই জাফরউল্লাহ ভাই করে গেছেন। তার উদ্দেশ্য ছিল এই ফ্যাসিস্ট সরকারকে সরিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করা। তিনি বলেন, জাফরউল্লাহ ভাই তার যোগ্যতায় কতটুকু সম্মান দেশ থেকে পেয়েছেন জানি না। তবে তাকে জাঁতি আজীবন মনে রাখবে। তিনি মানবকল্যাণে শুধু কাজ করেছেন। তিনি চলে গেলেও তার আদর্শ রেখে গেছেন। বিএনপি মহাসচিব বলেন, তরুণদের এগিয়ে আসতে হবে এই দেশ ও জাতিকে রক্ষা করতে। যে স্বপ্ন নিয়ে মুক্তিযুদ্ধ করেছিলাম, জাফর উল্লাহ ভাই সেই সংগ্রাম করে গেছেন। আসুন আমরা এই দেশ জাতিকে রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে লড়াই করে করি। মানুষ এখন অন্তর থেকে এই সরকারের পরিবর্তন চায় বলে মন্তব্য করে তিনি বলেন, এখন জগদ্দল পাথরের মতো এই দানবীয় সরকার জাতির ওপর চেপে বসে আছে। দানব বলেছি এই কারণে যে, তারা সবকিছু তছনছ করে দিয়েছে। আমাদের যা কিছু অর্জন সব অর্জনগুলোকে তারা নষ্ট করে দিয়েছে। এখন মানুষ অন্তর থেকে পরিবর্তন চায়।

প্রতিটি মুহূর্তে এদেশের মানুষ এখন এই সরকারকে সরে যেতে দেখতে চায়। কারণ, এখন মানুষের জীবন অতিষ্ঠ হয়ে গিয়েছে। তাদের চাল, ডাল, খাওয়া, কাপড় সবকিছু অসহনীয় হয়ে গিয়েছে তাদের কাছে। তিনি বলেন, তরুণদের এগিয়ে আসতে হবে এই দেশ ও জাতিকে রক্ষা করতে। যে স্বপ্ন নিয়ে মুক্তিযুদ্ধ করেছিলাম। জাফরুউল্লাহ ভাই সংগ্রাম করে গেছেন। আসুন, আমরা এই দেশ জাতিকে রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে লড়াই করে করি। জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রব বলেন, এই সরকার ক্ষমতায় থাকার জন্য প্রয়োজন হলে বাংলাদেশকে বিক্রি করে দেবে, হস্তান্তর করে দেবে। তাই বাংলাদেশে একটা গণঅভ্যুত্থান দরকার। মুক্তিযুদ্ধ চুরি হয়ে গেছে। স্বাধীনতা চুরি হয়ে গেছে। সার্বভৌমত্ব হারিয়ে যাবে, যদি আমরা রুখে না দাঁড়াই। তাই ধর্ম বর্ণ না ভেবে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। আসুন, সবাই রাস্তায় নামি, যারা আমাদের স্বাধীনতাকে বিক্রি করে দিয়েছে, তাদেরকে বিদায় করে দেই। নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, এই যে সেলফি নিয়ে এত কথাবার্তা হচ্ছে। উনি (শেখ হাসিনা) যা করলেন তা তো করলেনই। তিনি কি জানেন না এরকম ধোঁকাবাজি কেউ বুঝতে পারবে? বড় বড় রাষ্ট্রের প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতিরা সেলফি তুলে এটা কি আমরা জানি না, জানতে পারবো না? মানুষ জানতে পারবে না? সেটা জেনেও তিনি এটা করেছেন।

তার চেয়ে বড় কথা ওবায়দুল কাদের কীভাবে বলতে পারলেন- বিএনপির নেতাদের ঘুম হারাম হয়ে গেছে। এ রকম একটা পার্টি থার্ট ক্লাস কথাবার্তা বলে। তারপরও সেই পার্টি ১৫ বছর ধরে দাপটের সঙ্গে ক্ষমতায় আছে। বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, তথ্যমন্ত্রী ও সরকারি দলের সাধারণ সম্পাদক বলেছেন, বিরোধী দলের আন্দোলনের বাজার এখন ভেঙে গেছে। আমি বলি, আন্দোলনের বাজার ভেঙে যায়নি। সারা গ্রাম গ্রামান্তরে নতুন করে বাজার আবার জমে উঠছে। সমগ্র মানুষ রাজনৈতিক নেতৃত্বের চেয়ে অনেকখানি এগিয়ে আছে। মানুষ চায় শান্তিপূর্ণভাবে গণআন্দোলন করে অনতিবিলম্বে এই সরকারকে পদত্যাগে বাধ্য করা, দেশকে রক্ষা করা, জনগণকে রক্ষা করা, দেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতকে রক্ষা করা।

গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি বলেন, বাংলাদেশের ক্ষমতা কাঠামো বিকেন্দ্রীকরণ ছাড়া জনগণের মুক্তি সম্ভব না। নীতি এবং কাঠামোগত পরিবর্তন ছাড়া বাস্তব পরিবর্তন সম্ভব না। ভাসানি অনুসারী পরিষদের আহ্বায়ক শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলুর সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট হাসনাত কাইয়ুম, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. আলতাফুন্নেছা, বিএনপির মিডিয়া সেলের প্রধান জহির উদ্দিন স্বপন, জাতীয় পার্টির একাংশের চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার প্রমুখ।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর