রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ১০:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নৃশংসভাবে খুন হওয়া নাজমুলের পরিবারের পাশে বিএনপি নেতা রহমাতুল্লাহ চাঁদাবাজির মামলায় এনসিপির নেতাসহ আটক ২ চাঁদাবাজির অভিযোগ: এমপিপুত্র সজীবকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে ডিবি ফরিদপুরে ডিবি হেফাজতে ছাত্রলীগ কর্মীর মৃত্যুতে তদন্ত কমিটি গঠন সরকার গঠনের পর প্রথম দ্বিপাক্ষিক সফরে মালয়েশিয়া ও চীন যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আবার হরমুজ প্রণালি বন্ধের ঘোষণা ইরানের সুইজারল্যান্ডে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র বৈঠক রোববার: পাকিস্তান বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণা নিয়ে বাংলাদেশ জাস্টিস পার্টির কঠোর অবস্থান প্রতিমন্ত্রীর ‘ছেলেদের নামে’ দুই ইউনিয়নের নামকরণ, বদলানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, তিন মাসে প্রাণহানি ৫৬০

দেড়যুগ পর বাবার বাড়িতে উঠলেন জাইমা রহমান

অনলাইন ডেক্স
  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৯৯ টাইম ভিউ
দেড়যুগ পর বাবার বাড়িতে উঠলেন জাইমা রহমান

দীর্ঘ ১৭ বছর তিন মাসের বেশি সময় লন্ডনে নির্বাসনে থাকার পর দেশে ফিরেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার সঙ্গে এসেছেন স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।

বিমানবন্দর থেকে তারেক রহমান সংবর্ধনা মঞ্চে গেলেও জুবায়ের রহমান ও জাইমা রহমান এসে উঠেন গুলশান এভিনিউ ১৯৬ বাড়ীতে।

জীবনে প্রথম বারের মতো বাবার নিজ বাড়িতে উঠলেন তারেক কন্যা জাইমা রহমান। এর আগে সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে বরাদ্দ দেয়া শহীদ মইনুল রোডের বাড়িতেই তার শইশবকাল কাটে।

পরে ২০০৮ সালের ১১ই সেপ্টেম্বরে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর তারেক রহমান লন্ডনে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ ত্যাগ করলে জাইমা রহমান এবং তার মা জোবাইদা রহমানও সংগে গিয়েছিলেন।

বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে জোবায়দা রহমান ও জাইমা রহমান ১২টা ৫৬ মিনিটে পুলিশি নিরাপত্তায় সরাসরি গুলশানের ১৯৬ নম্বর বাসা প্রবেশ করেন।

বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের জন্য রাজধানীর গুলশান অ্যাভিনিউয়ের ১৯৬ নম্বর বাড়িটি পুরোপুরি প্রস্তুত করা হয়েছে।

এটি ১৯৮১ সালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবদুস সাত্তারের মন্ত্রিসভা সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে জিয়াউর রহমানের স্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে বরাদ্দ দেওয়া হয়।এর পর থেকে এই দেড় বিঘার উপর নির্মিত ছায়া ঘেরা বাড়ীর মালিক সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।

২০১০ সালের ১৩ নভেম্বর শহীদ মইনুল রোডের বাড়ি থেকে এক কাপড়ে বের করে দেয়া হয় খালেদা জিয়াকে। কিছুদিন ভাই শামীম এস্কান্দারের বাড়িতে থেকে ২০১২ সালের ২১ এপ্রিল ওই বাড়িতে ওঠেন খালেদা জিয়া। তারপর থেকেই এই ফিরোজাই তার আবাস।

এদিকে বাড়ী পেলেও দীর্ঘ ১৭ বছর রাজনৈতিক মারপ্যাচের কারনে ১৯৬ নম্বর বাড়িতে বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের কেউই থাকতে পারেন নি।

অবশেষে কয়েক মাস আগে গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান ও রাজউক চেয়ারম্যান রিয়াজুল ইসলাম রিজু বাড়িটির দলিলপত্র বিএনপি চেয়ারপারসনের কাছে হস্তান্তর করেন।

একতলা এই বাড়িটিতে তিনটি বেড রুম,ড্রয়িং রুম,ডাইনিং রুম,লিভিং রুমসহ রয়েছে সব অত্যাধুনিক সুবিধা।

কয়েকদিন আগে দেয়ালে করা হয়েছে নতুন সাদা রং,চারিদিকে লাগানো হয়েছে কাঁটাতারের বেড়া, সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে বড় দুটি গেটে রয়েছে পুলিশ বক্স।

১৯৬ নম্বর বাড়ি এবং এর পার্শ্ববর্তী বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার ভাড়া বাসার বাসার চারিদিক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থাও করা হয়েছে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর