নতুন কোচের অভিষেক, গ্যালারিভরা দর্শক আর শেষ দিকে নাটক; সব মিলিয়ে দারুণ এক ম্যাচে জয়ের হাসি হাসল ইন্টার মায়ামি। আর জয়ের কেন্দ্রে ছিলেন সেই চিরচেনা নাম লিওনেল মেসি। রোববার ডেনভারের এম্পাওয়ার ফিল্ডে ৭৫ হাজারের বেশি দর্শকের সামনে কলোরাডো র্যাপিডসকে ৩-২ গোলে হারায় ইন্টার মায়ামি। নতুন অন্তর্বর্তীকালীন কোচ গিলেরমো হোয়োস-এর অধীনে এটিই তাদের প্রথম ম্যাচ, আর শুরুটা হলো জয়ের হাসিতে।
সম্প্রতি দায়িত্ব ছাড়েন হাভিয়ের মাশ্চেরানো। তার বিদায়ের পর স্পোর্টিং ডিরেক্টরের পদ থেকে উঠে এসে দলের দায়িত্ব নেওয়া হোয়োসের জন্য এটি ছিল এক ইতিবাচক অভিষেক। ম্যাচের ১৩তম মিনিটেই পেনাল্টি থেকে দলকে এগিয়ে দেন মেসি। পেনাল্টিটি আদায় করেন ইয়ানিক ব্রাইট। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে জের্মান বারটেরামে হেড থেকে ব্যবধান ২-০ করেন।
তবে দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচে ফেরে কলোরাডো। ৫৮ মিনিটে গোল করেন রাফায়েল নাভারো, আর চার মিনিট পর বদলি হিসেবে নেমে সমতা ফেরান ড্যারেন ইয়াপি। সমতায় ফেরার পর ম্যাচে উত্তেজনা চরমে ওঠে। শেষ পর্যন্ত ৭৯তম মিনিটে মাঝমাঠ থেকে বল কেড়ে নিয়ে ডান দিক দিয়ে ঢুকে নিখুঁত শটে জয়সূচক গোল করেন মেসি—যা ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়।
ম্যাচের শেষ দিকে ১০ জনে নেমে আসে মায়ামি। ৮৭তম মিনিটে সরাসরি লাল কার্ড দেখেন ইয়ানিক ব্রাইট। রেফারির সঙ্গে আপত্তিকর ভাষা ব্যবহারের অভিযোগে তাকে মাঠ ছাড়তে হয়। যদিও এই সিদ্ধান্তে বিস্ময় প্রকাশ করেন কোচ হোয়োস।
এই জয়ে টানা সাত ম্যাচ অপরাজিত থাকল ইন্টার মায়ামি। মৌসুমের প্রথম ম্যাচে লস অ্যাঞ্জেলসের বিপক্ষে হারের পর আর হারেনি তারা। ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সেও এগিয়ে আছেন মেসি। চলতি মৌসুমে তার গোলসংখ্যা এখন ৭, যা তাকে স্যাম সুরিজ ও পিটার মুসা-এর সঙ্গে লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতাদের তালিকায় রেখেছে।