বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
গোয়ালন্দে প্রতিরোধ যুদ্ধ ও গনহত্যা দিবস পালিত, অর্থাভাবে থেমে আছে ভাস্কর্য নির্মান কাজ গোয়ালন্দে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করায় ১০ জন আটক, কাটার ও ক্যারিং বডি জব্দ চট্টগ্রামে হামলায় জড়িত ছাত্রদল নেতাদের বিচার চায় শিবির চট্টগ্রামের ঘটনায় বিক্ষোভের ডাক ছাত্রদলের হাত ট্রিগারেই আছে, প্রতিরক্ষা বাহিনীও সম্পূর্ণ প্রস্তুত: ইরান সাবেক প্রসিকিউটর সাইমুমের বিরুদ্ধে ঘুষ চাওয়ার প্রমাণ মিলেছে: চিফ প্রসিকিউটর চলতি বছর মাথাপিছু জিডিপিতে ভারতকে ছাড়াতে পারে বাংলাদেশ : আইএমএফ বিএনপি সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী: প্রধানমন্ত্রী চুক্তি না হলে হামলার জন্য পুরোদমে প্রস্তুত মার্কিন বাহিনী: ট্রাম্প জামিন পেলেন দেড় মাসের সন্তানসহ কারাগারে যাওয়া সেই যুব মহিলা লীগ নেত্রী

সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠীর ধর্মীয় অধিকারও হরণ করেছে সরকার : রিজভী

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : শনিবার, ১৬ মার্চ, ২০২৪
  • ৭৯ টাইম ভিউ

অনলাইন ডেস্ক : সরকার পার্শ্ববর্তী দেশকে খুশি করার জন্য সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠীর ধর্মীয় অধিকারও হরণ করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেছেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে ইফতার পার্টি করা যাবে না। কেন করা যাবে না? আপনারা যে যুগ যুগ ধরে এই ইফতার পার্টি করে আসছেন। হঠাৎ মনে পড়ল কেন ইফতার করা যাবে না? বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নোটিস দিয়েছে ইফতার করা যাবে না। শুধু এটা করেই তারা থেমে থাকেনি, তারপরে ছাত্রলীগকে দিয়ে আক্রমণ করানো হচ্ছে।’

শনিবার (১৬ মার্চ) দুপুরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় সামনে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের উদ্যোগে বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও দলটির সহশ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ূন ইসলামের মুক্তির দাবিতে এক মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন। ধর্মীয় অনুষ্ঠান ছাত্রলীগ রক্তাক্ত করেছে বলে অভিযোগ তুলে রিজভী বলেন, ‘শেখ হাসিনার নির্দেশে ধর্মীয় অনুষ্ঠানও এখন রক্তাক্ত ছাত্রলীগের দ্বারা।

এটা কেন করা হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী আমরা কিন্তু বুঝতে পারি। ‘আমরা আর মামুদের’ যে নির্বাচন করেছেন আমি আর ডামির যে নির্বাচন করেছেন যাদের পৃষ্ঠাপোষকতায় প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন সেই প্রভুদের খুশি করার জন্য ইফতারি বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন আপনি ছাত্রলীগকে দিয়ে সেখানে আক্রমণ করে সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠীর ধর্মীয় অধিকারও হরণ করছেন।’বিএনপির এ নেতা বলেন, ‘সরকারের বিরুদ্ধে মানুষের ক্ষোভ যে প্রচণ্ড বাড়ছে এইটা শেখ হাসিনা টের পাচ্ছেন এ কারণে ছোট কর্মসূচিতেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে দিয়ে যুদ্ধ যুদ্ধ ভাব তৈরি করেছেন। কারণ উনি ভালো করেই জানেন ৪টা লেবুর দাম ৮০ টাকা। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধিতে মানুষ এখন দিশেহারা। শেখ হাসিনা জানেন মানুষ কতটা ক্ষুব্ধ তার বিরুদ্ধে। মানুষের দ্রোহের আগুন জ্বলছে তিনি এটা ভালো করেই বুঝতে পারছেন।’

তিনি বলেন, ‘অপরদিকে প্রত্যেকটি জায়গায় সরকারি সংগঠনের নেতারা আঙুল ফুলে কলা গাছ হয়েছেন। মন্ত্রীদের ইউরোপসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মিলিয়ন মিলিয়ন ডলারের বাড়ি গাড়ি সম্পদ রয়েছে। ওয়ার্ড পর্যায়ের একজন নেতা এখন শত কোটি টাকার মালিক। জেলা ছাত্রলীগের নেতারাও ২ হাজার কোটি টাকা পাচার করেছে। যা আমরা গণমাধ্যমে দেখতে পাচ্ছি। ওদের তো খেজুর কিনতে অসুবিধা হয় না ওরা ফাইভ স্টারের খাবার নিয়ে বাড়িতে বসে আছেন।’

বাজার সিন্ডিকেটে আওয়ামী লীগের লোক আছে বলেই সরকার কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন রিজভী। বলেন, আওয়ামী পরিবার ছাড়া কোনো মেধাবীর চাকরি হচ্ছে না। প্রত্যেকটি কারাগার প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত বন্দিশালা।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচনে ভারত পাশে ছিল বলেই অন্য রাষ্ট্রগুলো কিছু করতে পারেনি। আওয়ামী লীগ সরকার ভোটার শূন্য নিবার্চন করেছে।

জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে এবং প্রচার সম্পাদক মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জুর সঞ্চালনায় মানববন্ধনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুস সালাম, বিএনপির চেয়ারপারসনের বিশেষ সরকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, নির্বাহী কমিটির সদস্য আমিনুল ইসলাম প্রমুখ বক্তব্য দেন।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর