রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ১০:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মালয়েশিয়ার কারাগারে থাকা বাংলাদেশিদের মুক্ত করতে চেষ্টা চালাবো: প্রধানমন্ত্রী নৃশংসভাবে খুন হওয়া নাজমুলের পরিবারের পাশে বিএনপি নেতা রহমাতুল্লাহ চাঁদাবাজির মামলায় এনসিপির নেতাসহ আটক ২ চাঁদাবাজির অভিযোগ: এমপিপুত্র সজীবকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে ডিবি ফরিদপুরে ডিবি হেফাজতে ছাত্রলীগ কর্মীর মৃত্যুতে তদন্ত কমিটি গঠন সরকার গঠনের পর প্রথম দ্বিপাক্ষিক সফরে মালয়েশিয়া ও চীন যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আবার হরমুজ প্রণালি বন্ধের ঘোষণা ইরানের সুইজারল্যান্ডে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র বৈঠক রোববার: পাকিস্তান বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণা নিয়ে বাংলাদেশ জাস্টিস পার্টির কঠোর অবস্থান প্রতিমন্ত্রীর ‘ছেলেদের নামে’ দুই ইউনিয়নের নামকরণ, বদলানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

তারেক রহমানের সঙ্গেই একই ফ্লাইটে দেশে ফিরছেন ডা. জুবাইদা ও জাইমা

আওয়াজ অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১০৪ টাইম ভিউ
তারেক রহমানের সঙ্গেই একই ফ্লাইটে দেশে ফিরছেন ডা. জুবাইদা ও জাইমা
তারেক রহমানের সঙ্গেই একই ফ্লাইটে দেশে ফিরছেন ডা. জুবাইদা ও জাইমা

দীর্ঘ দেড় যুগ পর আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) দেশে ফিরছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এদিন একই ফ্লাইটে তার সঙ্গে দেশে ফিরবেন তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এবং কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) তারেক রহমানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন তার ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানিয়েছেন। পোস্টে তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন সংক্রান্ত ১০টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হয়েছে।

তারা সকাল ১১টা ৪৫ মিনিটে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবেন। অবতরণের পর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে নিরাপত্তা ও প্রটোকল কার্যকর করা হবে। তারেক রহমান প্রথমে সরাসরি এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তার মা বেগম খালেদা জিয়াকে দেখতে যাবেন। এরপর রাজধানীর ‘জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়ে’ (৩০০ ফিট) এলাকায় অতি সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য দেশের মানুষের উদ্দেশ্যে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করবেন। পরে হাসপাতাল থেকে সরাসরি গুলশানের নিজ বাসায় পৌঁছাবেন।

এই স্থান নির্বাচনের পেছনে কৌশলগত ও মানবিক কারণ রয়েছে। জনদুর্ভোগ সর্বনিম্ন রাখতেই রাজধানীর ঐতিহাসিক স্থান যেমন সোহরাওয়ার্দী উদ্যান বা মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ এ কর্মসূচির বাইরে রাখা হয়েছে। ৩০০ ফুট প্রশস্ত একপাশের সার্ভিস লেন অতি সংক্ষিপ্ত গণ-অভ্যর্থনাস্থল হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে।

এই কর্মসূচি কোনো জনসভা বা সংবর্ধনা নয়। এটি দেশের মানুষের প্রতি তার আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ এবং দেশনেত্রীসহ দেশের কল্যাণ কামনার একটি সংক্ষিপ্ত আয়োজন। এখানে একমাত্র বক্তা থাকবেন তারেক রহমান।

ঢাকাজুড়ে ২০টি মেডিক্যাল ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে। এখানে চিকিৎসক, প্যারামেডিক, ওষুধপত্র ও অ্যাম্বুলেন্স থাকবে। বক্তব্য স্থলের কাছাকাছি ৬ শয্যার অস্থায়ী ফিল্ড হাসপাতাল এবং আইসিইউ সুবিধাসম্পন্ন অ্যাম্বুলেন্স থাকবে। বিশুদ্ধ পানি ও স্বেচ্ছাসেবকরা সার্বক্ষণিক সেবায় নিয়োজিত থাকবেন।

প্রধান প্রবেশ পয়েন্টগুলোতে আলাদা বাস পার্কিংয়ের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। জরুরি যানবাহন, রোগী পরিবহন ও বিদেশগামী যাত্রীদের চলাচল নির্বিঘ্ন রাখতে হেল্প ডেস্ক স্থাপন করা হয়েছে। জনভোগ কমাতে সরকারি ছুটির দিন হিসেবে এই দিন নির্বাচিত হয়েছে। পরবর্তী দুই দিনও সরকারি ছুটি থাকায় তিন দিনের টানা ছুটি থাকছে, যা যানজট কমাতে সহায়ক।

কোনো বিশৃঙ্খলা বা নাগরিক দুর্ভোগ না ঘটানোর জন্য নেতাকর্মী ও সমর্থকদের শান্তিপূর্ণ আচরণ বজায় রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রাজধানীতে প্রবেশের জন্য কাঞ্চন ব্রিজ ও নির্দিষ্ট প্রবেশমুখ ব্যবহার করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এই আগমন কেবল ব্যক্তিগত প্রত্যাবর্তন নয়, বরং দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতীক হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর