জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, অবশ্যই নির্বাচন হতে হবে বাংলাদেশে। কিন্তু যেনতেন মার্কা নির্বাচন এ জাতি চায় না। নির্বাচনের মতো নির্বাচন চায়, সুষ্ঠু নির্বাচন চায়। যে নির্বাচনে পেশিশক্তি আর কালো টাকার খেলা চলবে না, এমন একটি নির্বাচন আমরা চাই। সত্যিকার অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য আমাদের ভোটার তালিকা সংশোধন করতে হবে। যারা ভুয়া ভোটার তাদের বাদ দিতে হবে। যে সমস্ত যুবকরা ভোটার হয়েছে কিন্তু নাম তালিকাভুক্ত হয় নাই তাদের তালিকাভুক্ত করতে হবে।শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকালে নরসিংদীর সাটিরপাড়া কালিকুমার ইনস্টিটিউট মাঠে জেলা জামায়াত আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
নরসিংদী জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মোছলেহ উদ্দিনের সভাপতিত্বে জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মো. আমজাদ হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান, নির্বাহী পরিষদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন, কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা আ ফ ম আব্দুস সাত্তার, আব্দুল মান্নান, অ্যাডভোকেট মশিউল আলম, মাওলানা মমিনুল হক, মাওলানা দেলোয়ার হোসেন, নারায়ণগঞ্জ মহানগর জামায়াতের আমির মাওলানা আব্দুল জব্বার, মুন্সীগঞ্জ জেলা জামায়াতের আমির আ জ ম রহুল কুদ্দুস এবং নরসিংদী জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মকবুল হোসেন।জামায়াতের আমির বলেন, জুলাই আন্দোলন করতে গিয়ে বিদেশেও ভাইয়েরা জেলে গিয়েছে।
তারা আমাদের সঙ্গে মিলে যুদ্ধ করেছে। রেমিটেন্স বন্ধ করে স্বৈরাচারী সরকারকে লাল পতাকা দেখিয়েছে। আমরা তাদের স্যালুট জানাই। প্রত্যেকটি প্রবাসী ভাই ও বোনের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে হবে। জামায়াতের নেতৃত্বে আগামীতে সাম্য ও সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে চান বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।তিনি আরো বলেন, ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে মাথা নত না করার অপরাধে জামায়াতের নিবন্ধন ও প্রতীক বাতিল করেছে বিগত সরকার। এখনও তা ফেরত না দেওয়া জুলুমের শামিল। আমরা চাই গণহত্যার বিচার হোক। তবে এটাও চাই কেউ যেন অবিচারের সম্মুখীন না হন।
বিগত ১৭ বছরে সর্বোচ্চ অবিচারের অভিজ্ঞতা থেকেই এ কথা বলছি। গণহত্যার বিচার, প্রয়োজনীয় সংস্কার এবং সুষ্ঠু নির্বাচন এখন জাতীয় দাবি। জামায়াত এসব দাবির সঙ্গে একমত। ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের চেতনা সমুন্নত রাখতে জামায়াত আপসহীন থাকবে।