সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ০৯:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সংসদে মন্ত্রীদের অনুপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন বি‌টি‌ভির আয় ৮‌ কো‌টি টাকা, ব্যয় ২৫৪ কো‌টি: তথ্যমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসের ড্রেসিংরুমে চিঠি রেখে গেল ইরান ফুটবল দল ছয় জেলায় ৮ দিনের জন্য ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা পেল সশস্ত্র বাহিনী ভারতে কোচিং সেন্টারে আগুন, নিহত ১৪ গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ৬ জেলায় সেনা মোতায়েন করা হয়েছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পদত্যাগের ঘোষণা দিলেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী স্টারমার মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রীর সঙ্গে লেক ভ্রমণে ডা. জুবাইদা দু’বছর সময় ‘কঠিন যাবে’ আমি ‘আগেভাগে বলছি’: অর্থমন্ত্রী এনসিপির সংসদ সদস্য হান্নান মাসউদের বক্তব্য ঘিরে সংসদে বিতর্ক

আরেকটি ১/১১’র মাধ্যমে আ.লীগ ফিরলে কারো রক্ষা হবে না: রাশেদ খান

আওয়াজ অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : সোমবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৬৫ টাইম ভিউ

নির্বাচনের আগে বিভিন্ন দাবিদাওয়া নিয়ে আন্দোলন জোরালো হবে এবং এসবের মাধ্যমে দেশে আরো একটি ১/১১ সৃষ্টি করার পাঁয়তারা হতে পারে বলে দাবি করে গণ অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান বলেন, আওয়ামী লীগ ফিরলে কারো রক্ষা হবে না।

সোমবার (১৩ অক্টোবর) নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এসব মন্তব্য করেন রাশেদ খান।পোস্টে রাশেদ খান লিখেন, নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসবে, বিভিন্ন দাবিদাওয়া নিয়ে আন্দোলন জোরালো হবে। খোলা চোখে মনে হতে পারে, সাধারণ চাকরিজীবীরা বা শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করছে। কিন্তু ভেতরে থাকবে রাজনৈতিক ইন্ধন বা পৃষ্ঠপোষকতা। এসব আন্দোলনের মূলে থাকবে দেশকে অস্থিতিশীল করে নির্বাচন বানচালের মাধ্যমে আরেকটি ১/১১ সৃষ্টি করা।

এমন আন্দোলনের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, যেমন আনসার সমাবেশের নামে ছাত্রলীগের সমাবেশ করা হয়েছিল সচিবালয়ের সামনে (আনসার সদস্যদের মধ্যে আওয়ামী পরিবারের লোকজন এই সমাবেশের নেতৃত্ব দেয়)। সাধারণ আনসার সদস্যদের অধিকার আদায়ের কথা বলা হলেও, এটাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহারের ষড়যন্ত্র ছিল। যেটা পরবর্তীতে সাধারণ আনসার সদস্যরাও বুঝতে পারে।

রাশেদ খান বলেন, ঠিক এখন বা সামনে যত আন্দোলন হবে, তার মধ্যে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য থাকবে। ভারত ও আওয়ামী লীগ সামাজিক আন্দোলনকে কাজে লাগিয়ে দেশকে অচল বা ব্যর্থ করতে তৎপর। আমরা কি সেই সুযোগ দেব, নাকি সচেতন হব?

সাধারণ আন্দোলনকারী চাকরিজীবী ও শিক্ষার্থীদের এ বিষয়ে সতর্ক থাকার অনুরোধ করেছেন রাশেদ খান। তিনি বলেন, যৌক্তিক দাবিদাওয়ার আন্দোলনকে যাতে পতিত স্বৈরাচারের দোসররা রাজনৈতিক কাজে ব্যবহার করতে না পারে, সেদিকে স্বয়ং আন্দোলনকারীদের সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। সুতরাং আন্দোলন হতে হবে শান্তিপূর্ণ।

কোনোভাবেই যেন এই আন্দোলন জনগণের ভোগান্তির কারণ কিংবা রাষ্ট্র অচল হয়ে পড়ে, এমন না হয়। সরকারকেও দাবির যৌক্তিকতায় দ্রুত আন্দোলন মেনে নিতে হবে।

গণ অধিকার পরিষদের এই নেতা আরো বলেন, সবাইকে অনুধাবন করতে হবে, সরকার ঘোষিত সময়ে নির্বাচন না হলে এই দেশে ১/১১-এর মতো সংকট সৃষ্টি হবে এবং সেই সংকটে ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ উপদেষ্টাদের জেলে ঢোকানো হবে। তবে যারা লিয়াজোঁ করবে, তারা হয়তো নতুন ১/১১-এর সরকারে থেকে যাবে। আর যারা গণ-অভ্যুত্থানের শক্তি ছিল, তাদেরকে একে একে ফাঁসিতে ঝোলানো হবে।

তিনি বলেন, সুতরাং আমরা যা করি, যা বলি, সেগুলো যেন ভেবেচিন্তে করি। যারা মনে করছেন, আওয়ামী লীগ ফিরলে আমার কী? তারাই সবার আগে বিপদে পড়বেন। আরেকটি ১/১১-এর মাধ্যমে আওয়ামী লীগ ফিরলে কারো রক্ষা হবে না।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর